Breaking News

১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থীদের প্রশ্নের উত্তর

আশা করি ভালো আছেন। সামনে আপনাদের ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তবে আমরা অনেকেই নিবন্ধন পরিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তাই আজকে আমরা আপনাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দিব। আশা করি আমদের সাথে থাকবেন।

১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর

১। এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীরা কি আবেদনের সুযোগ পাবেন? আবেদনের শেষ তারিখ?


উত্তর: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীরা স্কুল পর্যায়-২-এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০২৩।


২। শিক্ষক নিবন্ধন এর প্রিলিমিনারিতে (এমসিকিউ) কত নম্বরে পাস?


উত্তর: ৪০ নম্বরে পাস। উল্লেখ্য, এমসিকিউ পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা মাত্র। এই পরীক্ষার নম্বর লিখিত পরীক্ষায় যোগ হবে না।


৩। একসঙ্গে কয়টি পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন আবেদন করা যাবে?


উত্তর: একজন প্রার্থী দুটি পর্যায়ে (স্কুল অথবা স্কুল-২ পর্যায় এবং কলেজ পর্যায়)। স্কুল এবং স্কুল পর্যায়-২-এর পরীক্ষা একসঙ্গে হবে।


৪। শিক্ষক নিবন্ধন বাছাই প্রক্রিয়া কিভাবে?


উত্তর: বাছাই পরীক্ষা হবে তিনটি ধাপে- প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ), লিখিত ও মৌখিক। প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় যে নম্বর পাবেন, সে অনুযায়ী প্রার্থীর ক্রম সাজানো হবে। পরবর্তী সময়ে গণবিজ্ঞপ্তি হওয়ার পর প্রার্থীদের স্কুল কিংবা কলেজ নির্বাচন করে আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর উপযুক্ত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।

৫। শিক্ষক নিবন্ধন এর এমসিকিউ প্রস্তুতির জন্য কোন বইটি ভালো?

উত্তর: এমসিকিউ পরীক্ষায় যেহেতু শুধু পাস নম্বর তোলাটাই লক্ষ্য, তাই বাজারের যেকোনো সমৃদ্ধ বই পড়লেই এই ধাপের যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারবেন। তবে যেসব বইয়ে শর্ট সাজেশন, মডেল টেস্ট ও বিগত প্রশ্নপত্র রাখা হয়েছে, সেসব বই পড়তে পারেন।


৬। লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন কোথায় থেকে হয়?


উত্তর: স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের জন্য আপনার একাডেমিক বিষয়ের ওপর লিখিত পরীক্ষ
হবে। স্কুল পর্যায়-২-এর জন্য বাংলা, ইংরেজি ও গণিত।


৭। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য কি নম্বর কাটা হয়?

উত্তর: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য এমসিকিউ পরীক্ষায় নম্বর (০.২৫) কাটা হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা উল্লেখ থাকবে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) হল বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের কাজ হল দেশের প্রায় ৩৩,০০০ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা।

এনটিআরসিএ ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়

এনটিআরসিএ ২০০৫ সালের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই আইনের অধীনে, এনটিআরসিএ-এর নিম্নলিখিত দায়িত্ব ও ক্ষমতা রয়েছে:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণ, পরীক্ষা পরিচালনা এবং নিবন্ধন এবং শিক্ষকদের উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা মাত্রই প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই প্রতিষ্ঠানে এনটিআরসিএর সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।

এনটিআরসিএর সদরদপ্তর ঢাকার রমনায় অবস্থিত। এই অফিসটি বাংলাদেশের জাতীয় ধারাপাতিক পুলিশ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। এই সদরদপ্তরের প্রামান্য কার্যালয় অনেকগুলির মধ্যে একটি। সেখানে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বিজ্ঞ করার জন্য পুলিশের বিভিন্ন কার্যকরীতা চলাকালীন হয়।

এনটিআরসিএ সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে আমরা এনটিআরসিএর বর্তমান চেয়ারম্যান, মোঃ আকরাম হোসেন সম্পর্কে জানি। তিনি একজন অভিজাত বাংলাদেশী পুলিশ কর্মকর্তা। মোঃ আকরাম হোসেন এক প্রশাসনিক পদে অধিভূক্ত হন। তিনি এনটিআরসিএ-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রান্সপেরেন্সি, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পাদনের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি। তিনি এনটিআরসিএ-এ রাষ্ট্রপতি এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকারী প্রকল্পের প্রতি গভীর আগ্রহী।

এনটিআরসিএ একটি উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা ও জঙ্গি, সংশ্লিষ্ট মানব সম্পদ ও প্রযুক্তি সেটসমূহের মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের সকলের জন্য ন্যায্য, প্রভাবশালী, পরিষ্কৃত ও ভালোবাসা সমৃদ্ধ প্রধানমন্ত্রী এর উপকথা নিশ্চিন্ত এবং উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে কার্যরত। এনটিআরসিএর সংগঠন ও কর্মপ্রণালীর যথাযথ উন্নয়ন এবং নথিভূক্তি করার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন করা হচ্ছে।

প্রকল্পের এই পদ্ধতি সাফল্যের কারণে, এনটিআরসিএ বিপ্লবী ও সামরিক লক্ষ্যে উন্নতি অর্জন করেছে। চেয়ারম্যানবৃন্দের নেতৃত্বে, এনটিআরসিএ নিয়মিত উন্নয়ন করছে এবং মাস্টারপ্ল্যান ও অন্যান্য প্রকল্পগুলি বাস্তবায়ন করছে যা কর্মকর্তাদের পরিবর্তনশীলতার সাথে লাভবান আপনাদেরকে সরবরাহ করছে যা ওদের বৃদ্ধি ও স্বদেশপ্রেরণ করে।

এনটিআরসিএ আরো অনেক উন্নত হত্যদারদের জন্য সম্পর্কে কার্যের ব্যক্তি এসেছে সম্প্রতি বিভিন্ন অঙ্গ ও স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসক ও আদেশ পর্যায়ক্রমের সম্মানিত আইনজীবীদের সহায়তা দিয়ে এনটিআরসিএ-র ওপর একটি পরিবেশশুন্য কেটায়ন আছে। এই চিকিত্সা বাস্তবায়ন কার্যক্রমগুলি চালানোর জন্য এনটিআরসিএ আঞ্চলিক ও সম্পৃক্ত সরকারী কর্মকর্তাদের পরিষ্কার অবগতি পর্যালোচনা করছে।

এনটিআরসিএ সারাদেশের ঘটনা ও ঘটনাবলীতে থাকা নাগরিকদের অধিকারের জন্যও কাজ করে যাচ্ছে। এটি জাতীয় ধারাপাতিক পুলিশকে সমর্থন এবং উপকরণ দেয়, যেখানে নাগরিকদের জন্য রক্ষা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও, এটি সরকারের প্রশাসনিক নীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রকল্পগুলি সঠিকভাবে বাস্তবানুগত হওয়ার নিশ্চিতকরণের প্রসঙ্গেও গ্রহণযোগ্য কাজ করে।

এনটিআরসিএ রমনা থানায় অবস্থিত একটি দূর্ঘটনা নিরাময় কেন্দ্রও দিয়েছে যা অবস্থানটির একটি পরিদর্শন, হরতালের সময় সামরিক সহযোগী ও হাসপাতালে চিকিত্সকের উন্নয়নে মাধ্যমে আকস্মিক বিভাগের ব্যবস্থা করেছে।

এনটিআরসিএ নিজেই একটি ইউনিফর্ম নতুনত্ব, বিনামূল্যে সরকার প্রকল্পগুলির প্রতি পাঠোযোগ্য এবং নতুন স্বদেশপ্রেরণ করে। এটি দেশের সকল নাগরিকের সাহায্য ও বৈকল্পিক পদক্ষেপ বিবেচনা করে ও নিশ্চিতকরণের প্রয়োজন নিশ্বাসযোগ্যভাবে নিয়মিত করে।

এনটিআরসিএর কর্মকান্ডগুলি নিরাপত্তা, ন্যায্যতা, প্রভাবশালী পরিচর্যা এবং বাফী ঘটনাগুলির নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের উন্নতি ও উন্নয়নের সর্বার্থস্বয়ংপ্রাপ্ত শক্তি হিসেবে কাজ করছে। এনটিআরসিএর আগ্রহ এবং নথিভূক্তি, দেশের রাষ্ট্রগত উন্নতি ও আর্থিক উন্নতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Check Also

DPE Gov bd Suggestions 2024 | প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন ২০২৪

DPE Gov bd Suggestions 2024 | প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন ২০২৪: আজকে আমরা প্রাইমারি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *