Breaking News

নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির নিয়ম উপবৃত্তি পোর্টালে

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, যা বাংলাদেশে বাচ্চাদের শিক্ষার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া এবং শিক্ষা প্রাপ্ত করা হয়, তাদের পড়া লেখা বাধাগ্রস্ত হওয়া থেকে রোধ করা হয়।

উপবৃত্তি প্রকল্পের লক্ষ্য:

  1. দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করা
  2. শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নত করা
  3. শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করা

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রোগ্রাম


২০০২ সালে উপবৃত্তি দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে এটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রোগ্রামটি তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত, যার মধ্যে তৃতীয় পর্যায়টি বর্তমানে অবৈধ রয়েছে।

তৃতীয় পর্যায়ে, দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়ার আওতায় এনে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির হার তাদের শ্রেণীর ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক উপবৃত্তির হার ৭৫ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ টাকা, তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ১২৫ টাকা এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ টাকা।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণ


পূর্বে উপবৃত্তি বিতরণ করা হতো প্রত্যেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে। তবে, বর্তমানে এটি ডিজিটাল মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করে নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে এন্ট্রি করার পর, উপবৃত্তির চাহিদা তৈরি করা হয়। উপবৃত্তির চাহিদা তৈরি করে সেটি অনুমোদন দেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে উপবৃত্তি প্রাপ্ত হয়।

উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রি


শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি তথ্য এন্ট্রি করা হয় বিদ্যালয়ের পর্যায় থেকে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা তাদের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে উপবৃত্তি পোর্টালে লগইন করে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করেন।

উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রি লিংক: pesp.finance.gov.bd

Pesp mis software-এ তথ্য এন্ট্রির সময়সীমা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন যে, উপস্থিত সকল রিজার্গদের এবং কাজে নির্ধারিত প্রযুক্তি মডেলের সাথে তারিখ ৪/৯/২০২৩ খ্রিস্টাব্দ তারিখে উপবৃত্তি পোর্টালে নতুন শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রি, যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন কাজ চালানো হবে।

আপনাদের জানানো হলো যে, উপবৃত্তি পোর্টালের সময়সীমা নিম্নরূপঃ

  • ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, ও রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময়সীমা: ০৪/০৯/২০২০ থেকে ০৭/০৯/২০২৩ তারিখ।
  • খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ও সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময়সীমা: ০৮/০৯/ ২০২৩ থেকে ১১/০৯/ ২০২৩ তারিখ।

প্রতি সপ্তাহে, শুক্র এবং শনিবার সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত নতুন উপবৃত্তি তথ্য এন্ট্রি কার্যক্রম চলবে।

যদি প্রয়োজন হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণের সাথে যোগাযোগ করে উপবৃত্তি ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হলো।

উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রি করার ধাপসমূহ প্রতি বছর, উপবৃত্তি তথ্য প্রদানের প্রয়োজন হয় কয়েকটি ধাপে। নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি এবং পূর্বের শিক্ষার্থীদের শ্রেণী হালনাগাদ এই দুটি কাজ প্রতি বছর সম্পন্ন হয়।

উপবৃত্তি পোর্টালে নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি প্রক্রিয়া আপনার মোবাইল ব্রাউজার থেকে উপবৃত্তি পোর্টালে যান: pesp finance gov bd এরপর প্রধান শিক্ষকগণ তাদের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন অপশনে ক্লিক করুন। (ইউজার আইডি হিসেবে pemis এর ব্যবহৃত ইউজারনেম বা মোবাইল নম্বর এবং উপবৃত্তি পোর্টালের পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন). এখন আপনি বাম পাশে ড্যাশবোর্ডে প্রাথমিক নির্বাচন অপশনে ক্লিক করুন। এই অপশন থেকে নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি এবং পূর্বের শিক্ষার্থীদের শ্রেণী হালনাগাদ এই দুটি কাজ করা যাবে।

ডুপ্লিকেট জন্মনিবন্ধ লেখা আসলে কী করবেন?

ডুপ্লিকেট জন্মনিবন্ধ লেখা প্রয়োজন হলে, আপনি বিদ্যালয়/সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের আইডি নম্বর দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নম্বর প্রদান করতে পারেন। এরপরে আপনি তাদের সার্চ অপশনে জন্ম নিবন্ধন নম্বর লিখে খোঁজ করলে, শিক্ষার্থীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন। তারপর আপনি সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

যে সকল শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে এখন নেই তাদের শ্রেণি হালনাগাদ করতে হলে কী করতে হবে?

যে সকল শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে এখন নেই, তাদের কোনও প্রকারের আপডেট দরকার নেই। যদি ট্রান্সফার অপশন সক্রিয় থাকে, তাহলে তাদের ট্রান্সফার করে দিতে হবে। তবে, ২০২২ সালের (১ম – ৫ম শ্রেণী) শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ শ্রেণি হালনাগাদ করতে পারবে এবং (১ম – ৮ম শ্রেণী) শিক্ষার্থীরা এখন যে বিদ্যালয়ে পড়ছে, তাদের ক্লাস্টারে প্রেরণ করতে হবে।

লগইন করার সময়, সেভ করা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে এবং ক্যাপচা পরিহার করার সুযোগ রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক পদত্যাগের সময় আইডি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার সময় সমস্যা হলে, তার পরবর্তী আইডি দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ চলছে এবং পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া এবং শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, যা তাদের জীবনে একটি মৌলিক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে, যেটি শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি জন্য সাক্ষরতা সাবমিট করতে সাহায্য করে। এই তথ্য এন্ট্রি করতে প্রধান শিক্ষকগণকে প্রয়োজন হয়, এবং এটি উপবৃত্তি পোর্টালে নতুন শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রি, যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন কাজ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

আজকের আর্টিকেল পড়ে আপনার কোন মতামত থাকলে নিম্নে কমেন্ট করে জানতে পারেন।

Check Also

প্রাইমারি এডমিট কার্ড ডাউনলোড লিংক | Primary Admit card download 2024

প্রাইমারি এডমিট কার্ড ডাউনলোড লিংক | Primary Admit card download 2024: ইতিমধ্যে প্রাইমারি দ্বিতীয় ধাপের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *